শিরোনামঃ

দল থেকে যে কেউ মনোনয়ন চাইতে পারে : কর্ণেল (অব) মণীষ দেওয়ান

মণীষ দেওয়ান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। বর্তমান রাঙামাটি জেলা বিএনপির সদস্য। ১৯৫২ সনের ১০ ফেব্র“য়ারী রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলায় জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা প্রয়াত বিমলেশ্বর দেওয়ান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের রাঙামাটির প্রথম পুলিশ সুপার। মণীষ দেওয়ান ১৯৭১ সনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে স্বাধীনতা ঘোষনা শোনে তরুন বয়সে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। Monisdewan pic02১৯৭১ সনে ১৭ ডিসেম্বর রাঙামাটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনকারীদের মধ্যে তিনি একজন। ১৯৯৭৫ সনে সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন, সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় তিনি খুলনা বিডিআর সেক্টর কমান্ডার ও দুটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সনে সেনাবাহিনীর কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় মণীষ দেওয়ান স্বেচ্ছায় অবসরে যান এবং পরবর্তীতে ২০১০ সনে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করে বিএনপিতে যোগদান করেন। ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ২ সন্তানের জনক। সম্প্রতি রাঙামাটিতে তার বাসায় রাজনীতির সম সাময়িক বিষয় নিয়ে কথা হয়। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল এখানে যে কেউ মনোনয়ন চাইতে পারে। দল ক্ষমতায় আসলে তিনি পাহাড়ী বাঙালী সকলের স্বার্থ সংরক্ষন করে কাজ করবেন। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা কর্নেল মণীষ দেওয়ানের সাক্ষাতকারটি সিএইচটি টুডে ডট কম পাঠকদের জন্য হুবহু তোলা ধরা হলো

প্রশ্ন: কেমন আছেন?
উত্তর : ভালো।

প্রশ্ন : কিভাবে কার প্রেরনায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন?
উত্তর: দেশে যখন মুক্তিযুদ্ধে শুরু হয় তখন আমরা তরুন টগ বগে যুবক। পড়া শোনা করছি রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে, এখনকার মত তখন এত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, আমরা খবর শুনতাম রেডিওতে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষনের পর দেশ তখন উত্তাল এবং ২৫ মার্চে তৎকালীন মেজর জিয়ার প্রথমে ইংরেজীতে পরে বাংলায় স্বাধীনতার ঘোষনা আমাকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে অনুপ্রেরনা যোগায়। আমি শহীদ জিয়ার ঘোষনা নিজ কানে শুনেছি। আমরা রাজশাহীর বড় ভাই তখনকার ছাত্রলীগ নেতা টুকু ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা ৫জন প্রশিক্ষন নেই এবং বাড়ীতে ফিরে আসি। তখন আমার বাবা নোয়াখালীতে এন্ট্রি করোপসেন অফিসার ছিলেন। নোয়াখালী থাকা অবস্থায় শহীদ জিয়ার ঘোষনা শুনে আমরা কয়জন বন্ধু চট্টগ্রাম ফিরে আসি, আমাদের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পরে অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম। আমাকে জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষনাই যুদ্ধে যেতে অনুপ্রেরনা যুগিয়েছি, তার নেতৃত্বে এবং নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করি।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধ সময়কার রনাঙ্গনের কোন স্মৃতি কি মনে আছে? কোন সেক্টরে কোথায় যুদ্ধ করেছিলেন?
উত্তর : রনাঙ্গনের স্মৃতি প্রচুর। চট্টগ্রামে আসার পর পার্বত্য এলাকায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কম হওয়ায় সেখান থেকে আমাদের দায়িত্ব দেয়া হয় বরকল, জুড়াছড়ি ও রাঙামাটি। আমাদের সংগঠিত হতে সময় লাগল এবং আমরা ১৯৭১ সনের ১৪/১৫ এপ্রিলের দিকে ভারতের সীমান্তবর্তী বরকলের থেগামুগ হয়ে দেমাগ্রী যাই সেখানে আরো প্রশিক্ষন নেই। তবে আমরা জুনিয়র হওয়ায় আমাদের ছোটখাটো অভিযানের জন্য পাঠানো হত, বড় যুদ্ধে পাঠানো হত সিনিয়রদের। ভারতের প্রশিক্ষন নিয়ে যুদ্ধ করার সময় আমাদের কমান্ডার ছিলেন জেনারেল সুজন সিং ওভান।যুদ্ধের সময় আমি হেলিকপ্টারে করে জেনারেল সুজন সিং এর সাথে ৩বার রাঙামাটি আসি। একবার আমরা রাঙামাটি আসার সময় কাপ্তাই লেকের উপর যখন হেলিকপ্টার চক্কর দেয় তখন আমরা সবুজ পাহাড় ও স্বচ্ছ নীলের পানি দেখে বিমোহিত হয়ে পড়ি। কিন্তু রাঙামাটি শহরের উপর চক্কর দেয়ার সময় পাকিস্তানী সৈন্যরা এবং মিজুরা আমাদের হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি বর্ষন করে, আমরা সেখান থেকে ফিরে এসে দেখি হেলিকপ্টারের বিভিন্ন স্থানে গুলি লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিন্তু আমরা প্রানে বেছে যাই। আরেকবার আমি ছদ্মবেশে বরকল আসার সময় পাকিস্তানী সৈন্যদের সামনে পড়ি কিন্তু বয়সের কারনে তখন তারা বাচ্ছা ছেলে মনে করে ছেড়ে দেয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় মাইলের পর মাইল কখনো নদী দিয়ে কখনো পায়ে হেটে আমরা যুদ্ধ অংশ নেই। তখন এত কিছু না ভাবলেও এখন নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা ভেবে খুব গর্ববোধ করি।TareQ-K.TOLI

প্রশ্ন: কিভাবে কোন প্রেক্ষাপটে রাঙামাটিতে স্বাধীন পতাকা উত্তোলন করেছিলেন? কারা ছিল তখন?

উত্তর : আমরা ভারতের দেমাগ্রী থেকে যখন বরকলে আসতে ছিলাম, তখন আমাকে দেমাগ্রীতে ফেরত যাওয়ার জন্য মেসেজ পাঠানো হলো। আমি তখন আবার ফেরত গিয়ে দেখি দেমাগ্রীতে কয়েকজন রাঙামাটির ছেলে ছিলেন। এর মধ্যে শামসুউদ্দিন ভাই, সিদ্দিকভাই, রবাবানীভাইসহ অনেকেই ছিলেন। আমাদের বলা হলো তোমাদের রাঙামাটি যেতে হবে সেখানে একটা অভিযান চালাতে হবে। নানিয়াচর মহালছড়ির মাঝামাঝিতে পাকিস্তানী সেনাদের ক্যাম্প রয়েছে কমপক্ষে সেখানে ২শ সৈন্য রয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর তিনটি হেলিকপ্টারে করে আমরা রাঙামাটি আসি সে সময় পাকিস্তানী সৈন্যরা আমাদের উপর অনবরত গুলি, মর্টার বর্ষন করে, আমরাও হেলিকপ্টার থেকে গুলি বর্ষন করি সে সময় অনেক পাকিস্তানী সৈন্য মুত্যবরন করে। হেলিকপ্টার ৩টি আমাদের নামিয়ে দেয় রাঙামাটিতে। আমরা কাউখালী সাপছড়ি হয়ে রাঙামাটি আসতে থাকি। এর মাঝে পাকিস্তানী সৈন্যরা আমাদের উপর গুলি বর্ষন করে আমরাও করি। ১৬ ডিসেম্বর রাতে আমরা ফুরামোন পাহাড়ে অবস্থান করি। সেখানে গোলাগুলির এক পর্যায়ে আশপাশের লোকজন আমাদের জানায় পাকিস্তানের সৈন্যরা কেউ মারা গেছে, কেউ বা পালিয়েছে। তখন আমরা রাঙামাটি আসার জন্য কখনো পায়ে হাটছি কখনো গাড়ীর অপেক্ষায় থাকতাম। এক পর্যায়ে ১৭ ডিসেম্বর সড়ক ও জনপথের একটি গাড়ীতে আমরা রাঙামাটি শহরে প্রবেশ করি তখন দেখি শহরের বর্তমান পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় কয়েক হাজার মানুষ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা রাঙামাটিতে পৌছানোর পর দেখি হেলিকপ্টারে করে ফুটবলার শেখ ফজলুল হক মনি, জেনারেল সুজন সিং ওভান রাঙামাটিতে আসেন। তাদের সাথে নিয়ে আমি এবং শামসুদ্দিন ভাই স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করি। ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলেও আমরা জানতাম না দেশের অন্য জায়গায় কি হচ্ছে। তাই আমরা ১৭ ডিসেম্বর রাঙামাটিতে স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করি।

প্রশ্ন : শোনা যাচ্ছে আগামী নির্বাচনে আপনার মনোনয়ন চাইবেন, মনোনয়ন প্রাপ্তির ব্যাপারে প্রত্যাশা কতটুক? আপনাকে যদি মনোনয়ন দেয়া না হয় যাকে দেয়া হয় তার জন্য কাজ করবেন কি?

উত্তর : বিএনপি একটি বড় দল, এখানে মনোনয়ন যে কেউ চাইতে পারে। রাজনীতিতে মানুষ প্রবেশ করে দেশ ও জাতির জন্য কিছু করতে কিন্তু কোন দায়িত্বশীল জায়গা না থাকে তাহলে এটি সম্ভব হয়ে উঠে না। শহীদ জিয়ার সৈনিক এবং অসম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী হিসেবে আমি মনোনয়ন চাইব। আমার দৃঢ় বিশ্বাস বিএনপির হাই কমান্ড যোগ্য ব্যাক্তিকে মনোনয়ন দিবে যাতে রাঙামাটি আসনটি বিএনপি আবার পুনরুদ্ধার করতে পারে। আমার যোগ্যতা যদি বলেন আমি একজন দেশপ্রেমিক, মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। আমার অভিজ্ঞতার ভান্ডার প্রচুর। আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। একজন অসম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ হিসেবে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবার জন্য আমি কাজ করতে চাই, আমি ইতিমধ্যে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবার মন জায়গা জয় করে নিয়েছি।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন না দেয় তাহলে যাকে দেয় তার জন্য অবশ্যই কাজ করব। কারন যাকে দিবে সেও জিয়ার সৈনিক আমিও জিয়ার সৈনিক।Monish dewan

প্রশ্ন: যদি মনোনয়ন পান তাহলে জয়ের ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী? জনগন কেন আপনাকে ভোট দিবে বলে মনে করেন।

উত্তর: জয়ের ব্যাপারে শতকরা একশত ভাগ আশাবাদী। কারন পার্বত্য চট্টগ্রামে আওয়ামীলীগের অবস্থান পাহাড়ীদের কাছে নি:শেষ হয়ে গেছে। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে পাহাড়ীদের বাংলাদেশী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে আর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে তাদের বাঙালী বানিয়েছে। নির্বাচনে যদি বড় দল ধরেন তাহলে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে দীপংকর তালুকদারের চেয়ে আমার জনপ্রিয়তা অনেক বেশী কারন পাহাড়ী এবং বাঙ্গালীরা আমাকে ভোট দিবে। বিএনপি এর আগে আসনটিতে জয় হয়েছে আমি মনে করি দল নির্বাচনে অংশ নিলে এবং সুষ্ঠ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন যদি হয় তাহলে আমি জিতব।

প্রশ্ন: রাঙামাটি বিএনপি দুভাগে বিভক্ত কেন? দলীয় কার্যক্রম আলাদাভাবে পালন করা হয় কেন? একটি পক্ষ বলছে আপনি বিএনপির কেউ না বিষয়টা কিভাবে দেখছেন?

উত্তর : আসলে বিএনপি দুভাগে বিভক্ত নয়। বিএনপি একটা বিশাল দল এখানে মতভেদ মতপার্থক্য থাকতে পারে। অনুষ্ঠান দুভাগে হয় এটা ঠিক না, মাঝে মাঝে হরতাল অবরোধ কর্মসুচীগুলো এলাকা ভিত্তিক হয়ে থাকে। কলেজ গেইটে দীপেন দেওয়ান, পৌরসভা এলাকায় শাহ আলম, রির্জাভ বাজারে দলীয় নেৃতবৃন্দ এবং তবলছড়ি আমার বাসা হওয়ায় সেখানে আমি কর্মসুচী পালন করি। কেন্দ্রীয় অন্য কর্মসুচীগুলো আমরা এক সাথে পালন করি। কয়দিন আগে রাঙামাটিতে পুলিশের সাথে বিএনপির নেতা কর্মীদের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে পুলিশ যে সময় বিএনপি নেতা কর্মীদের গুলি বর্ষন করেছে সে সময় দীপেন দেওয়ান আমি এক সাথেই ছিলাম।
আমি দলে যোগদান করেছি মাত্র ৩ বছর হয়েছে এর মধ্যে দলের কাউন্সিল হয়নি, তাই আমি দলের কোন দায়িত্ব পাইনি। দলের কমিটির মেয়াদ শেষ যখন নির্বাচন হবে তখন আমিও একজন প্রার্থী হব। তখন দায়িত্বের বিষয়টি চলে আসবে।IMG_6117 (Copy)

প্রশ্ন: অভিযোগ রয়েছে রাঙামাটিতে বিএনপির রাজনীতিতে অনেক সময় সংসদ নির্বাচনে নতুন মুখ আনা হয়, দল ক্ষমতা থেকে চলে গেলে তারা আবার ব্যাক্তি জীবনে ফিরে যায় আপনি বিষয়টাকে কিভাবে দেখছেন?

উত্তর : একথাটি সম্পুর্নভাবে সত্যি। বিগত দিনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, মনিস্বপন দেওয়ান দলে আসলেন এমপি হলেন মন্ত্রী হলেন দল ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি চলে গেলেন। গত নির্বাচনে মৈত্রী চাকমা দলের টিকেটে নির্বাচন করেছেন কিন্তু এখন তাকে মাঠে দেখা যায় না। এটা বিএনপির জন্য দুভার্গ্যজনক। সেক্ষেত্রে আমি বলব দীপংকর তালুকদার আ্ওয়ামীলীগার হিসেবে কট্টর আওয়ামীলীগার, বিপদে আপদে দলকে তিনি সুসংগঠিত করেছেন। রাঙামাটির বিএনপিকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন প্রয়াত জহির ভাই আর নাজিম চাচা। উনারা থাকলে দল হয়ত রাঙামাটিতে আরো শক্তিশালী হত।

প্রশ্ন: আপনার দল বা ১৮ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসলে শান্তি চুক্তি কি বাস্তবায়ন করবে?

উত্তর: শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টি দলের হাই কমান্ডের বিষয় চুক্তি বাস্তবায়ন বা চুক্তির বিষয়ে তারাই সিদ্ধান্ত নিবেন। তবে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমরা পাহাড়ী বাঙালী সকল জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষন করে কাজ করব।
প্রশ্ন: আপনি একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ হিসেবে পাহাড়ের আঞ্চলিকদলগুলোর কার্যক্রমকে কিভাবে মুল্যায়ন করবেন?IMG_6169 (Copy)

উত্তর : বাংলাদেশ একটি গনতান্ত্রিক দেশ এখানে সকলের রাজনীতি করার অধিকার আছে। জনসংহতি সমিতি একটি ঐতিহ্যবাহী পুরানা দল তাদের আর্দশ ও লক্ষ্য আছে। এরপরে আছে ইউপিডিএফ গন পরিষদ বা পার্বত্য সম অধিকার আন্দোলন। আমার সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। তাদের এজেন্ডা নিয়ে তারা কাজ করছে। কিন্তু যখন দেখি ভ্রাত্বঘাতি সংঘাত বা সংঘর্ষে প্রানহানি ঘটে তখন খুব ব্যাথিত হই। পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে সহনশীলতা আনতে হবে।

 

Print Friendly, PDF & Email

Share This:

খবরটি 610 বার পঠিত হয়েছে


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

ChtToday DOT COMschliessen
oeffnen