শিরোনামঃ

অবশেষে বাঘাইছড়িবাসী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন পেতে যাচ্ছেন

সিএইচটি টুডে ডট কম, বাঘাইছড়ি (রাঙামাটি)। অবশেষে বাঘাইছড়িবাসীর দাবির মুখে এবং দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশন নির্মাণ হতে যাচ্ছে। এতদিন জায়গা পাওয়া না যাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ, আজ ফায়ার ষ্টেশন স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ন সচিব আতাউল হক স্থাপনা নির্মানের জন্য আজ বাঘাইছড়ির কয়েকটি জায়গা পরিদর্শন করে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহ আলম কোম্পানীর জায়গা চুড়ান্তভাবে নির্বাচন করেন।

রাঙামাটি জেলার ১০টি উপজেলার মধ্যে ৮টিতে ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন নেই, এরমধ্যে “দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সদর/স্থানে ১৫৬ টি ফায়ার স্টেশন স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের” আওতায় কাউখালী উপজেলায় ইতিমধ্যে ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে গেছে প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত বাকি উপজেলাগুলোতেও জায়গা নির্বাচনসহ অন্যান্য কাজ চলমান রয়েছে।
বাঘাইছড়িতে ফায়ার সার্ভিস না থাকায় বিগত সময়ে কাচালং বাজার, চৌমুহনী মার্কেটসহ বিভিন্ন আবাসিক আগুন লেগে পরিবারগুলো নি:স্ব হয়ে পড়ে। প্রতিবছর আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি ফায়ার ষ্টেশনের অবশেষে সেটি পুরণ হতে চলেছে এবং ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন হলে মানুষ আগুনের ক্ষয় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।
আজ স্থান নির্বাচনের জায়গা পরিদর্শন উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো : নাদিম সারওয়ারের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস চট্রগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো: আব্দুল মান্নান, ফায়ার সার্ভিস রাঙামাটির সহকারী পরিচালক মো: দিদারুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মো: আব্দুল শুক্কুর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো: আলী হোসেন, কাচালং ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ দেওয়ান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী মো : শাহ আলম ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রকল্প পরিচালক আতাউল হক জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গনপুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজ শুরু করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। তিনি সরকারের বর্তমান মেয়াদের মধ্যে কাজটি শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো জানান, বাঘাইছড়ি উপজেলা ফায়ার স্টেশনের ক্যাটাগরি হবে ‘বি’। স্টেশনটির নাম হবে ” স্থল কাম নদী পাড় স্টেশন” । জনবলের মধ্যে থাকবে স্টেশন অফিসার ১জন, সাব অফিসার ১ জন, লিডার ২জন, ড্রাইভার ৩ জন, ইন্জিন ড্রাইভার ১ জন, মাষ্টার ড্রাইভার ২ জন, বাবুর্চি ১ জন এবং ফায়ারম্যান ১৮ জন। যানবাহনের মধ্যে গাড়ী ২ টি । বড় গাড়ি ১টি ও টানা গাড়ি ১টি। বড় গাড়ির পানি ধারণ ক্ষমতা ৪৩০০ লিটার। পাম্প ২টি ও কান্ট্রি বোট ১ টি।

Print Friendly, PDF & Email

Share This:

খবরটি 137 বার পঠিত হয়েছে


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.

ChtToday DOT COMschliessen
oeffnen